ইউরোপজুড়ে বর্তমানে প্রায় ৮০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, এই সেনাদের বড় একটি অংশ জার্মানির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে অবস্থান করছে। ভিসবাডেন, রাইন-পফালজ, স্টুটগার্ট এবং বাভারিয়ার মতো কৌশলগত এলাকায় তাদের উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি।

তবে এই বিশাল সামরিক উপস্থিতি স্থায়ী নয়। নিয়মিত সামরিক মহড়া ও বাহিনীর ঘূর্ণায়মান ব্যবস্থার কারণে সেনার সংখ্যা প্রায়ই পরিবর্তিত হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, বৈশ্বিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই মোতায়েন পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে।

অন্যদিকে সাম্প্রতিক সময়ে এই উপস্থিতি কমানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি জানিয়েছেন, জার্মানিসহ ইউরোপের আরও কিছু দেশে সেনা সংখ্যা কমিয়ে আনার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে। এমনকি ইতালি ও স্পেন থেকেও সেনা সরিয়ে নেওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছে।

এই ঘোষণায় সংশ্লিষ্ট মহলে কিছুটা বিস্ময় তৈরি হয়েছে। কারণ এত বড় সামরিক উপস্থিতি থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্র এখন নিজেদের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করছে। বিশ্লেষকদের মতে, এটি কেবল সামরিক নয়, রাজনৈতিক ও কৌশলগত হিসাবেরও অংশ।

এমন পরিস্থিতিতে স্পষ্ট হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের শক্তি প্রদর্শনের পেছনে অনিশ্চয়তা কাজ করছে। অন্যদিকে, বিশ্ব রাজনীতিতে নতুন ভারসাম্য তৈরি হচ্ছে, যেখানে একক আধিপত্য আগের মতো সহজ নয়।

Walton Ads